|
|
|
-
আলাদা থাকছেন প্রিন্স চার্লস ও ক্যামিলা
স্ত্রী ক্যামিলা পার্কারের সঙ্গে প্রিন্স চার্লসের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। রাজকীয় ভাবধারার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার চাপ সইতে পারছেন না ক্যামিলা। এ কারণে বর্তমানে তারা আলাদা বসবাস করছেন। বৃটেনের ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে ‘প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া’ এ খবর জানিয়েছে। রাজকীয় পরিবেশে হাঁপিয়ে ওঠা ক্যামিলা প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি ১০ দিন পর পর স্বামী চার্লসকে ছেড়ে তার গ্রামের বাড়ি কস্টওল্ডসের রে মিলস হাউসে গিয়ে বসবাস করছেন। সেখানে রাজকীয় বিভিন্ন কর্মসূচির বাইরে স্বাধীন জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করেন তিনি। ঘটনাটি ক্যামিলা তার কেশপরিচর্যাকারী (হেয়ারড্রেসার) জো হ্যান্সফোর্ডের কাছে প্রকাশ করেছেন। জো ২০ বছর ধরে ক্যামিলার কেশপরিচর্যাকারী হিসেবে কাজ করছেন। এ বিষয়ে জো বলেন, রে মিলস হাউস তার মুক্তির জায়গা। তিনি তার নিজের বাড়িতেই থাকতে পছন্দ করেন। রাজকীয় পরিবেশে আপনি একজন সাধারণ মানুষের মতো জীবনযাপন কিভাবে করবেন? তার জন্ম রে মিলসে, এখানেই বেড়ে উঠেছেন। অনেক পরিণত বয়সে তিনি রাজপরিবারের অংশ হয়েছেন। অভ্যস্ত পরিবেশ ছেড়ে অন্য পরিবেশে চলে গিয়ে তিনি হাঁপিয়ে উঠেছেন। রে মিলস হাউসে বসবাস করা তার দিক থেকে খুব চমৎকার ব্যাপার। ক্যামিলার বর্তমান বয়স ৬৪ আর প্রিন্স চার্লসের ৬৩। চার্লস বৃটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী। কিন্তু তাদের দাম্পত্য জীবনের জটিলতা রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রাজার জন্য অশনি সংকেত। প্রকৃতপক্ষে, বাকিংহাম প্যালেসের কর্মকর্তারাও ক্যামিলার প্যালেস ছেড়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিষয়টি নিয়ে চার্লস ক্যামিলার সঙ্গে আলোচনাও করেছেন। এ প্রসঙ্গে রাজপরিবারের একটি সূত্র জানান, ভবিষ্যতের জন্য ঘটনাটি উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সব দায়িত্ব রেখে প্রতি সপ্তাহেই তিনি রে মিলস হাউসে চলে যান। ক্যামিলা মনে করেন চার্লস বৈষম্য সৃষ্টি করছেন। চার্লস তার রাজকীয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত, তিনি সেভাবেই চলাফেরা করেন।
কিন্তু ক্যামিলা এতে অভ্যস্ত নন। তিনি বুঝতে পেরেছেন, তাকে তার মতোই থাকতে হবে। আর সে সিদ্ধান্তই তিনি নিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ নিয়ে তারা কোন কথা বলেননি, তারা দুজনেই অভিজ্ঞ দায়িত্বশীল মানুষ। সমঝোতার মাধ্যমেই নিজেদের বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান তারা। সূত্র বিডি নিউজ
|
|
|
|