|
|
|
-
দেশে রফতানি আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ
চলতি ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রফতানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে দেশে রফতানি আয় হয়েছে ৮১১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে এ আয় ছিল ৬৭২ কোটি ১৪ লাখ ডলার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু অক্টোবরে রফতানি আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি হয়েছে। অক্টোবরে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৯৫ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। ২০১০-১১ অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬৯ কোটি ৩৩ লাখ ডলার।তৈরি পোশাকশিল্পের নিট পোশাক খাত থেকে জুলাই-অক্টোবরে রফতানি আয়ের পরিমাণ ৩৩৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, গত অর্থবছরের একই সময়ে তুলনায় যা ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ খাত থেকে রফতানি আয় ছিল ২৮৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। একই সময়ে ওভেন খাত থেকে আয় হয়েছে ২৯৩ কোটি ৯২ লাখ ডলার, আগের অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরের তুলনায় যা ২৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ খাত থেকে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ২৩৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।প্রাথমিক ভোগ্যপণ্য রফতানি থেকে অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আয় হয়েছে ৪০ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩২ কোটি ৮২ লাখ ডলার। অর্থাত্ এ সময়ে খাতটি থেকে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। প্রাথমিক ভোগ্যপণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষি পণ্য। এ খাত থেকে জুলাই-অক্টোবরে রফতানি আয়ের পরিমাণ ১৫ কোটি ২৫ লাখ ডলার, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি। ২০১০-১১ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে এ খাত থেকে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার।এ ছাড়া পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি থেকে এ সময়ে আয় ৩৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে এ খাত থেকে রফতানি আয়ের ছিল ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
|
|
|
|