|
|
|
-
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের অঙ্গীকার
থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার শত শত কোটি ডলারের গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এবং নতুন সীমান্ত ক্রসিং চালু করার ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। থাই প্রধানমন্ত্রী ও মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠকের পর এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়। মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলীয় আন্দামান উপকূলীয় দরিদ্র এলাকা দায়েউ। এ এলাকাকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত করে তুলতে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এখানে বন্দর হলে প্রতিবেশী থাইল্যান্ড ভারত মহাসাগরে যাওয়ার পথ পাবে। তবে স্থানীয় গ্রামবাসীর কাছ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধার সম্মুখীন হচ্ছে শিলাজায়ান্ট হুতাই থাই। অর্থায়নের ক্ষেত্রে সঙ্কটের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। দায়েউকে বিশেষ অর্থনৈতিক জোন হিসেবে গড়ে তুলতে দু’দেশের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। থাইল্যান্ডের এ এলাকায় নিরাপত্তা, অবকাঠামো ও যাবতীয় সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। থাই প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রা সফররত মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেইন সেইলের সঙ্গে আলোচনার পর সাংবাদিকদের বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জটিলতা কাটিয়ে উঠতে দুই দেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ স্থাপন করবে। ইংলাক বলেন, ‘মিয়ানমারের দায়েউতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ এগিয়ে নিতে থাই সরকার সাহায্য সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে আমি নিশ্চিত করেছি। স্টিল মিল, পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্ট ও তেল শোধনাগারসহ আড়াইশ’ বর্গকিলোমিটার (একশ’ বর্গমাইল) নিয়ে হবে দায়েউ প্রকল্প।’ থাই ডেভেলপাররা বলেছেন, সবকিছুই পরিকল্পনা মতো এগিয়ে চলেছে। বিদেশি সহায়তায় বেশ কিছু উচ্চাভিলাষী প্রকল্পের অন্যতম এটি। গত বছর জান্তারা সেনা সমর্থিত বেসামরিক সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। তবে বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে সংশয় দেখা দেয় চলতি বছরের গোড়ার দিকে।
এদিকে রোববার থেইন সেইন থাই লায়েম চাবাং গভীর বন্দর পরিদর্শন করেন। এ বন্দরের সঙ্গে সড়ক পথে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। বর্তমান সমুদ্র রুটের দূরত্ব কমিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
|
|
|
|