|
|
|
-
সৈয়দপুরে নববধূকে নির্যাতন : চারঘাটে স্কুলছাত্রী ধর্ষিত : দামুড়হুদায় বিয়ের লোভ দেখিয়ে ছাত্রীর দেহ ব্যবহার
নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক নববধূ। রাজশাহীর চারঘাটে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিয়ের লোভ দেখিয়ে ছাত্রীর দেহ ভোগ করেছে এক লম্পট শিক্ষক। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
সৈয়দপুরে যৌতুকের জন্য নববধূকে নির্যাতন : নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে যৌতুকের জন্য এক গৃহবধূর ওপর বর্বর অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন করেছে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা। শুধু তাই নয়, পাষণ্ড স্বামী জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়েছে ওই গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে। তারপরও স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে না যাওয়া ওই গৃহবধূকে তার অসুস্থ বাবাকে দেখাতে নিয়ে তাদের বাসার সামনে
মোটরসাইকেল থেকে ফিল্মি স্টাইলে ফেলে দিয়ে মারাত্মক আহত করেছে তার স্বামী। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ সাহানা বেগম সৈয়দপুর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই সাহানার বড়ভাই শাহ্ আলম বাদী হয়ে ওই তার স্বামী, শাশুড়ি, ভাসুর-দেবরসহ আটজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। জানা যায়, জেলার সৈয়দপুর উপজেলা শহরের নতুন বাবুপাড়া শিংগীপুকুর সংলগ্ন এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী শাহিদ আহমেদের সঙ্গে গত ১৬ মার্চ বিয়ে হয় কাজীপাড়া কাজী ওমর আলী রোডের বাসিন্দা ফতে আলমের মেয়ে সাহানা বেগমের। নিজে পছন্দ করে সুন্দরী সাহানাকে পারিবারের সম্মতিতে বিয়ে করে শাহিদ। বিয়ের সময় সাহানার পরিবার জামাতা শাহিদকে নগদ যৌতুকের কোনো টাকা-পয়সা না দিলেও মূল্যবান আসবাবপত্র, টিভি, ফ্রিজসহ সংসারের সব জিনিসপত্র সাজিয়ে দেয়। এতে সাহানার পরিবারের ৭-৮ লাখ টাকাও বেশি ব্যয় হয়। বিয়ের ১৫ দিন পর থেকে নববধূ সাহানার ওপর নানা ধরনের শারীরিক, মানসিক অত্যাচার-নির্যাতন শুরু হয়। স্বামী শাহিদ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা ৫ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য এ বর্বর নির্যাতন চালায়।
চারঘাটে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী : রাজশাহীর চারঘাটে চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে এক গৃহশিক্ষক। এ ব্যাপারে ওই ছাত্রীর বাবা গৃহশিক্ষক সেলিমকে আসামি করে গত বৃহস্পতিবার চারঘাট থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ১১ জুলাই সকাল ৮টার দিকে চারঘাট উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে গৃহশিক্ষক সেলিম ওই এলাকার ৩-৪টি ছোট বাচ্চাকে প্রাইভেট পড়াচ্ছিল। ওই শিক্ষক তার কাছে পড়তে আসা বাচ্চাদের ছুটি দিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ওই ছাত্রী গিয়ে তার মায়ের কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরে ওই ছাত্রীর বাবা লোকলজ্জার ভয়ে স্থানীয় এলাকার মাতব্বদের ঘটনাটি জানালে বিচারের নামে তারা কালক্ষেপণ করতে থাকেন। অবশেষে নিরুপায় হয়ে গত বৃহস্পতিবার সেলিমকে আসামি করে চারঘাট থানায় একটি মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা।
দামুড়হুদায় বিয়ের লোভ দেখিয়ে ছাত্রীর দেহ ভোগ : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে অবৈধ দৈহিক সমপর্ক করে প্রতারণা করেছে প্রাইভেট শিক্ষক দামুড়হুদার মদনা গ্রামের আমিনুল ইসলাম। মদনা গ্রামেরই এক কলেজছাত্রী অভিযোগ করে, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার মতো অনেক মেয়েরই সর্বনাশ করেছে ওই প্রাইভেট শিক্ষক। প্রতারণার শিকার ওই কলেজছাত্রী শিক্ষক আমিনুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। জানা গেছে, দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়নের মদনা গ্রামের ফকির মোহাম্মদের ছেলে আমিনুল ইসলাম একই উপজেলার জয়রামপুর ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক। ওই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়ত একই গ্রামের ওই কলেজছাত্রী। স্কুলে পড়ার সময় থেকে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ফুঁসলিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে শিক্ষক আমিনুল ইসলাম। কথা ছিল তাকে আমিনুল বিয়ে করবে। কিন্তু তাকে ফাঁকি দিয়ে সম্প্রতি আরেক প্রাইভেট ছাত্রীকে বিয়ে করেছে আমিনুল।
|
|
|
|